সিলেটের আদিবাসী ও উপজাতি সমাজ
আদিবাসি বর্তমানে সিলেটের আদিবাসী হিসেবে যারা পরিচিত, তাদের পূরব পুরুষদের এখানে আগমন ঘটেছিল ব্রিটিশ আমলে বিভিন্ন চা বাগানের শ্রমিক হিস...
https://sylhetviews24.blogspot.com/2016/05/blog-post_67.html
![]() |
| আদিবাসি |
বর্তমানে সিলেটের আদিবাসী হিসেবে যারা পরিচিত, তাদের পূরব পুরুষদের এখানে আগমন ঘটেছিল ব্রিটিশ আমলে বিভিন্ন চা বাগানের শ্রমিক হিসেবে। সিলেটে আসা এ সকল আদিবাসীদের মধ্যে আছে সাঁওতাল , ওঁরাও,মুন্ডা, ভূমিজ,তুরিয়া প্রভৃতি সম্প্রদায়ের লোক । এদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও কোন বর্ণমালা নেই ।
মুন্ডা :
এদের আদি নিবাস হলো ভারতের চব্বিশ পরগনা , জলপাইগুড়ি ,রাচি,সিংভূম ও উড়িষ্যার রাজ্য সমূহে। বর্তমানে মুন্ডারা আলীনগর, শমসের নগর, নারায়ণছড়া, মূতিঙ্গা, করিমপুর, ধামাই প্রভৃতি জায়গায় বসবাস করছে । সিলেটে এদের সংখ্যা প্রায় কয়েক হাজার ।মুন্ডাদের প্রধান জীবিকা হচ্ছে কৃষিকাজ ।তারা পরজন্মে বিশ্বাসী এবং পূর্ব পুরুষদের আত্মাকে পূজা করে ।তারা হিন্দু দেব দেবীও পূজা করে।তারা পিতৃতান্ত্রিক এবং তাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ, বিধবা বিবাহও প্রচলিত । মুন্ডাদের প্রধান ধর্মীয় উত্সব সহরাই ।তবে তাদের নিজস্ব কোন ধর্মীয় পুরোহিত নেই ।দেশীয় মদ বা হাড়িয়া তাদের কাছে খুবই জনপ্রিয় । তাদের মধ্যে কেউ কেউ মৃতদেহ দাহ করে আবার কেউ কেউ কবর দেয় ।
ওঁরাও :
এদের আদিনিবাস হলো জলপাইগুড়ি , দিনাজপুর ,রাচি ,পৌলামি ও উড়িষ্যা। বর্তমানে তারা সিলেটের শমসেরনগর , জাফলং,চাঁদবাগ, জুড়ি,ধামাই,শিলুয়া এবং হোসনাবাদে বসবাস করছে । তারা সূয ও চন্দ্রের পূজা করে এছাড়াও হরিআরি, ফাগুয়া, করমপূজাও করে থাকে। তাদের প্রধান দেবতা ধরমেশ । চা বাগানের ওঁরাওগণ সহরাই অনুষ্ঠান পালন করে । হাড়িয়া তাদের প্রিয় পানীয় ।
সাঁওতালঃ
এদের আদি নিবাস বর্ধমান, বীরভূম, বাঁকুরা, মেদিনীপুরসহ আরোও বিভিন্ন স্থানে । বর্তমানে তারা চাতলাপুর, ডাবলছড়া, কামারছড়া, সুরমা, তেলিয়া পাড়া,করিমপুর প্রভৃতি চা বাগানে তারা বসবাস করে। ওঁরাওদের মতো সাঁওতালরা পূর্ণজন্মে বিশ্বাসী। তারা মৃতদেহ দাহ করার পর অস্থি নদীতে বির্ষজন করে। তাদের প্রধান দেবতা সূয।
ভূঁইয়াঃ
আদি নিবাস গয়া,ভাগলপুর, সাঁওতাল পরগনা, উড়িষ্যা প্রভৃতি স্থানে। বর্তমানে তারা কালীঘাট, আলীনগর, চাতলাপুর,ভাড়াউড়া, বুড়বুড়িয়া,ইটা প্রভৃতি চা বাগানে বাস করছে। ভূঁইয়ারা বিহারের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে।মৃতদেহ সমাধিস্থ করে। তারা বিভিন্ন ধর্মীয় পূজা ছাড়াও করম পূজা করে থাকে।হাড়িয়া তাঁদেরও প্রিয় পানীয়।
ভূমিজঃ
ভূমিজরা আদিতে মালভূম, সিংভূম ও উড়িষ্যার রাজ্যসমূহে বাস করত। বর্তমানে তারা লালচান, লংলা, ইটা,করিমপুর, তেলিয়াপাড়া প্রভৃতি চা বাগানে বসবাস করছে ।ভূমিজরা বাংলা ও বিহারের মিশ্রিত ভাষায় কথা বলে।তারা খুবই পরিশ্রমী এবং সহরাই ও গৃহপালিত পশুর পূজা করে থাকে। তারা মৃতদেহ সমাধিস্থ করে ।
শবরঃ
শবরদের আদি নিবাস ছিল বাটক, পুরি,পট্রম এবং গঞ্জাম জেলায়। বর্তমানে তারা ভাড়উড়া, শমসেরনগর চা বাগানে বাস করছা। মুঙ্গের জেলার ভোজপুরী মিশ্রিত আঞ্চলিক ভাষায় তারা কথা বলে।শবরা মৃতদেহ সমাধিস্থ করে এবং হরিআরি বা প্রকৃতির পূজা করে থাকে ।
![]() |
| পাত্তিওয়ালি |
পরধানঃ
আদিতে পরধানরা ছিল মান্দালা, সেওতি, চান্দা ও জটমাল নামক স্থানে। বর্তমানে তারা লংলা, ধামাই, সোনাতলা,ফুলতলা চা বাগানে বাস করছে।হাঁড়িয়া তাদের প্রিয় পানীয়।
তুরীঃ
তুরিয়াদের আদি নিবাস ছিল ছোট নাগপুর, দিনাজপুর এবং মালদহে। বর্তমানে তারা বসবাস করছে শ্রীগোবিন্দপুর, পাত্রখোলা,চম্পরায় ও চাতলাপুর চা বাগানে।তারা বাঁশ ও বেতের কাজে দক্ষ।তুরিয়ারা সহরাই পূজা করে থাকে।মৃতদেহ সমাহিত করে ।
ঘাসিঃ
ঘাসিরা এসেছে ছোট নাগপুর, জলপাইগুড়ি, মধ্যভারত, চব্বিশপরগনা জেলা থেকে।তারা বর্তমানে আছে মৃতিংগা ও খেজুরীছড়া চা বাগানে।তারা নায়েক পদবি ব্যাবহার করে।জিতিয়া বা ঝুমুর তাদের উল্লেখযোগ্য উত্সব।
পাসিঃ
পাসিরা এসেছে বিহার,চব্বিশ পরগনা থেকে।বর্তমানে তারা বরমচাল,মাধবপুর,গাজীপুরে বসবাস করছে ।পাসিরা ভোজপুরী ভাষায় কথা বলে।একসময় তারা মৃতদেহ নদীতে ভাসিয়ে দিত কিন্তু এখন সমাহিত করে। তাল ও খেজুরের রস আহরণ এবং তাড়ি তিরী করা এদের মূল জীবিকা।
দোসদঃ
বিহার, বর্ধমান,হুগলী থেকে আগত দোসদরা বর্তমানে শমসেরনগর ও চম্পরায় চা বাগানে বসবাস করছে।তারা রাহ ও ডিহ পূজা করে থাকে। উত্সবে তারা শকুর বলি দেয়। তারা মৃতদেহ কবর দেয় আবার সমাহিত করে।
পান (উড়িয়া) :
তাদের আদি নিবাস উড়িষ্যা,মেদিনীপুর ও চব্বিশপরগণা জেলায় ।পানরা বর্তমানে তেলিয়াপাড়া, চাঁদবাগ এবং লালচান চা বাগানে বসবাস করে ।তারা চৈত্রমাসে মঙ্গলা পূজা করে ।বস্ত্রবয়ন ও ঝুড়ি তিরী করা তাদের প্রধান কাজ।
সিলেটের উপজাতিঃ
সিলেটের যারা উপজাতি হিসেবে পরিচিত তাদের পূর্ব-পুরুষেরা এখানে এসেছে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে ও তাদের শরীরে মঙ্গোলীয় রক্তের ধারা প্রবাহমান। অনেক প্রাগৌতিহাসিক কাল থেকে আবার অনেকে মনিপুরে বর্মি অভিযানের পর থেকে এখানে বসবাস শুরু করেছে।
খাসি (খাসিয়া)
খাসিয়ারা বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, বড়লেখা, শ্রীমঙ্গল, রাজনগর, জয়ন্তিয়াপুর, হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল থানার বিভিন্ন পুঞ্জীতে বসবাস করছে । কমলা,তেজপাতা জুম চাষ, পান চাষ তাদের প্রধান পেশা। খাসিয়া মাতৃতান্ত্রিক। তারা খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। মৃতদেহ সৎকারে নিজস্ব প্রথা-পদ্ধতি তারা মেনে চলে। এক্ষেত্রে অস্ট্রিক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।
মণিপুরীঃ
বর্তমানে মণিপুরী সম্প্র্রদায় মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, বড়লেখা, শ্রীমঙ্গল, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, সিলেট সদরে বসবাস করছে।তাদের প্রধান পেশা হচ্ছে কৃষি কাজ, বস্ত্র বয়ন, চার ও কারু কাজ, চাকুরী। মৈতেই, বিষ্ণুপ্রিয়া এবং পাঙ্গাল এই তিন ধরনের সম্প্রদায়ে মুনিপুরিরা বিভক্ত। এগুলোর মধ্যে প্রথম দুই সম্প্রদায় বৈষ্ণব মতাবলম্বী এবং তৃ্তীয় সম্প্রদায ইসলাম ধর্মের অনুসারী। বর্তমান মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ থানা হচ্ছে বাংলাদেশী মণিপুরীদের সর্ববৃহৎ আবাসভূমি। স্থানীয় বিষ্ণুপ্রিয়া সম্প্রদায় শিক্ষা-দিক্ষায় অনেক অগ্রসর। মুণিপুরী নৃ্ত্যকলা বর্তমানে দেশে বিদেশে সুনাম অর্জন করেছে।
![]() |
| চাকমা |
মুনিপুরি রাস মঞ্ছ
মণিপুরী রাসলীলাঃ
বৈষ্ণব সাহিত্যের রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলার এক নৃত্যগীতাভিনয় অনুষ্ঠান হচ্ছে রাসলীলা। রাস শব্দটি রস শব্দের বিবর্তিত রূপ বলে অনুমান করা হয়। মণিপুরীদের প্রথম রাসলীলা বা রাসলীলানুসরণ অনুষ্ঠান হয় মণিপুরীদের আদিভূমি মণিপুরে ১৭৬৯ খৃস্টাব্দে রাজা ভাগ্যচন্দ্র সিংহের আয়োজনে। বর্তমান যুগের ভারত ও বঙ্গে যে রাসলীলা কেন্দ্রিক রাস উৎসব হয়ে আসছে–তার প্রচারক হচ্ছেন প্রখ্যাত এই মণিপুরী রাজা। গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মমতে মোহবিষ্ট রাজা স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে কন্যা লাইরোবিকে রাধার ভূমিকায় অবতীর্ণ করে রাস অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছিলেন। মৈথিলী ও ব্রজবুলি ভাষার বিভিন্ন পদের মণিপুরী সঙ্গীতের নিজস্ব গায়কী ও মুদ্রা-পদবিক্ষেপে জটিল এবং ধ্রুপদী ধারার এই গীতিনৃত্যধারা মণিপুরীদেরকে ভারতীয় উপমহাদেশের তথা সমগ্র বিশ্বের নৃত্যকলার মধ্যে একটি বিশেষ স্থান করে দিয়েছে।
সিলেটে মণিপুরী রাসলীলা উৎযাপনের ইতিহাসঃ
অষ্টাদশ শতকের প্রথম পাদে সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলায় বসতি স্থাপনকারী মণিপুরীরা আজ থেকে প্রায় দেড় শতাধিক বছর পূরবে প্রথম এই দেশে তাদের ধর্ম-সংস্কৃতির প্রধান উৎসব রাসলীলার সূচনা করে। বাংলা ১২৮৯ সন নাগাদ ১৮৪২ খ্রীষ্টাব্দের শারদীয় পুর্ণিমা তিথিতে তৎকালীন মৌলবীবাজার মহকুমার মাধবপুর জোড়ামন্ডপে মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়া সম্প্রদায়ের আয়োজনে এবং মণিপুরী মৈতেই সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয় রাসলীলা। জোড়ামন্ডপের প্রথম সেই রাসলীলানুকরনে বৃন্দার ভুমিকায় ছিলেন রাণী চ্যাটার্জ্জী, রাধা ও কৃষ্ণের ভুমিকায় ছিলেন থাম্পাল সিনহা ও বাবুল সিংহ, রাসধারী বা রাসের পরিচালনাকারী ছিলেন বকসাল সিংহ ও সহযোগী সাংকয় সিংহ। প্রাথমিক অবস্থায় কেবল রাত্রিতে শারদীয় রাস অনুষ্ঠিত হলেও পরবর্তীতে দিবাভাগে গোষ্ঠলীলা যোগ করা হয়। ১৯১৯ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সিলেট ভ্রমনে এলে সিলেট শহরের অদুরে মাছিমপুর পল্লীতে মণিপুরী মেয়েদের পরিবেশিত রাস নৃত্য দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন। পরে কবিগুরু কমলগঞ্জের নৃত্য শিক্ষক গুরু নীলেশ্বর মুখার্জীকে শান্তি নিকেতনে নিয়ে গিয়ে প্রবর্তন করেছিলেন মণিপুরী নৃত্য শিক্ষা । ১৮৪২ সাল থেকে প্রতি বৎসরই জোড়ামন্ডপে মণিপুরী রাসলীলা উৎযাপিত হয়ে আসছে। শুধুমাত্র ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মণিপুরীরা রাসলীলানুকরন বন্ধ রাখে। একই এলাকার আদমপুর বাজারের সানাঠাকুর মন্ডপে ১৯৮৬ সাল থেকে মণিপুরী মৈতৈ সম্প্রদায়ের উদ্যোগে রাসলীলা উৎযাপন শুরু হয়। সময়ের সাথে রাসোৎসবের আকর্ষণ যেমন বেড়েছে তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে উৎসবে দর্শনার্থীর সমাগম।
ত্রিপুরাঃ
মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ থানার টিপরাবাড়ি, শ্রীমঙ্গল থানার টিপরা ছড়া ও ডলুছড়ায় এবং হবিগঞ্জের মাধবপুর থানার সাতছড়ি রিজার্ভ ফরেষ্ট এলাকায় 'ফরেষ্ট ভিলেজার' হিসেবে ত্রিপুরাদের বসবাস। জুম জাতীয় চাষ তাদের প্রধান পেশা। ত্রিপুরা জনগোষ্ঠি হিন্দু ধর্মাবলম্বী। বাঙ্গালিদের সাথে সম্পর্ক নিবিড় হওয়ার কারনে তারা নিজেদের উন্নত করে তুলেছে। পোশাক এবং ফ্যাশনের পাশাপাশি আচার-ব্যবহারের ক্ষেত্রেও তারা মনিপুরিদের অনুসরন করে।
পাত্রঃ
সিলেট জেলার সদর ও গোয়াইনঘাট থানার ১৭টি গ্রামে পাত্র সম্প্রদায়ের বসবাস। তাদের প্রধান পেশা কৃষিকাজ, আবার কেউ কেউ কাঠ কয়লা বিক্রয় করে থাকে।পাত্ররা হিন্দু ধর্মাবলম্বী হলেও তাদের নিজস্ব কোন পুরোহিত নেই। পাত্রদের অধিকাংশই দরিদ্র কৃষক এবং অর্থনৈতিক ভাবে অস্বচ্ছল।
গারোঃ
সুনামগঞ্জ জেলার সুনামগঞ্জ সদর, তাহিরপুর ও ধর্মপাশা থানার কিছু অংশে গারোদের বসবাস।তাদের প্রধান পেশা জুম চাষ, কৃষিকাজ, পশুপালন,পাখি ও মত্স্য শিকার। গারোদের অধিকাংশই খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী। অল্প কয়েকজন গারো আছে যারা অখ্রিষ্টান তারা সাংসারেক নামে পরিচিত।গারোদের গ্রাম প্রধানকে বলা হয় নাকমা। নাখাম অর্থাত্ শুটকিমাছ আর পঁচুই মদ তাদের প্রিয় খাবার।
হাজং:
সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্বরপুর, তাহিরপুর,ধর্মপাশা ও মধ্যনগর থানার কিছু অংশে হাজংদের বসবাস।তাদের প্রধান পেশা হচ্ছে কাপড় বোনা। তাদের মধ্যে অনেকে আবার কৃষিকাজ করে থাকে। তারা সাধারনত হিন্দু ধর্মাবলম্বী এবং পিতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথায় বিশ্বাসী। তারা মৃতদেহ দাহ করে। তাদের ভাষা সাধারনত তিব্বতীয় বর্মী শাখাভূক্ত হলেও এতে প্রচুর বাংলা আসামী শব্দের মিশ্রন ঘটেছে।
হালামঃ
মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ থানার দক্ষিণাংশে হালাম বাড়ি নামক স্থান এদের বসবাস । জুম জাতীয় চাষ এদের প্রধান পেশা। এদের সংখা প্রায় দশ হাজার। বিভিন্ন কারণে সিলেটে এদের সংখা গুটি কয়েক মাত্র।




